(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Sunday, April 28, 2013

TOWER GROUP OF COMPANIES


নিজের চিটফান্ড সম্পর্কে সাফাই দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের বিক্ষোভের মুখে টাওয়ার কর্তা|

নিজস্ব প্রতিনিধি,গণশক্তি

কলকাতা, ২৭শে এপ্রিল— সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে নিজের সংস্থা সম্পর্কে সাফাই দিতে এসে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন টাওয়ার গ্রুপের কর্ণধার রামেন্দু চট্টোপাধ্যায়। চিট ফান্ড কাণ্ড প্রকাশ্যে চলে আসায় আমানতকারীদের আশ্বস্ত করতে শনিবার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে টাওয়ার গ্রুপ। সাংবাদিক সম্মেলনে রামেন্দু চট্টোপাধ্যায় আমানতকারীদের টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতির কথা বলতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তাঁরই গ্রুপের ‘প্রাত্যহিক খবর’-এর কর্মীরা। প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যেই প্রাপ্য টাকা ফেরতের দাবি তোলেন তাঁরা। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কর্মীরা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সাংবাদিক সম্মেলন অসমাপ্ত করেই প্রেস ক্লাব থেকে পালিয়ে যান তিনি।

তবুও হাল ছাড়েননি কর্মীরা। একরকম ধাক্কাধাক্কি অবস্থায় তাঁকে প্রেস ক্লাব ছাড়তে হয়। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কর্মীরা। টাকা ফেরতের দাবিতে পোস্টার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। পরে পুলিসের উপস্থিতি এবং বকেয়া বেতনের ব্যাপারে আগামী ৩০শে এপ্রিল বৈঠকের আশ্বাস দেওয়ায় রামেন্দু চট্টোপাধ্যায় ক্লাব চত্বর ছেড়ে চলে যান। ২০১০সালের জানুয়ারি মাসে টাওয়ার গ্রুপের বাংলা দৈনিক ‘প্রাত্যহিক খবর’ চালু হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কাগজটি প্রকাশিত হতে থাকে ঐ বছরের মে মাস থেকে। কাগজের কর্মীদের বক্তব্য, ‘২০১২সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই মূলত বেতন অনিয়মিত হতে থাকে। চলতি বছরের মার্চ মাসে কাগজটি বন্ধ করে দেন রামেন্দু চট্টোপাধ্যায়। কাগজ বন্ধের আগে তিনি নোটিস দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, শেষ দু’মাস এবং বাড়তি আরো একমাসের বেতন তিনি মিটিয়ে দেবেন কর্মীদের। এমনকি পি এফ-এর টাকাও মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে লিখিত আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পি এফ এবং বকেয়া বেতন তিনি দেননি।’

এদিনের ঘটনা ছাড়াও গতকাল লেনিন সরণির টাওয়ার গ্রুপের অফিস টাওয়ার ভবনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান কর্মীরা। কর্মীদের অভিযোগ, বকেয়া বেতন পাওয়ার ব্যাপারে কথা বলতে গেলে তা শোনা হয়নি। উপরন্তু মারধর করা হয়েছে। পুলিস ডেকে কর্মীদের সেখান থেকে হটিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে মুচিপাড়া থানা এবং কলকাতা পুলিস কমিশনারকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এদিন বউবাজার থানাতেও আলাদা করে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তিনি যেহেতু আগামী ৩০শে এপ্রিল কর্মীদের সঙ্গে বসবেন বলেছেন, তাই এই কয়েকদিন অপেক্ষা করা হবে। তাতে কোনো সমাধানের রাস্তা না পাওয়া গেলে আদালতের দ্বারস্থ হবেন কর্মীরা।

No comments:

Post a Comment