(CLICK ON CAPTION/LINK/POSTING BELOW TO ENLARGE & READ)

Thursday, August 29, 2013

রুখ‍‌তে হবে সিরিয়া আগ্রাসন : সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ছাড়া নিছকই কল্পিত অভিযোগের ভিত্তিতে সিরিয়ায় সামরিক আগ্রাসনের জন্য ছটফটানি শুরু হয়ে গেছে যুদ্ধোন্মাদ ইঙ্গ-মার্কিন জোটের। এই প্রশ্নে নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে তুলতে পা বাড়িয়ে আছে ফ্রান্স। পারলে সকলের আগেই যুদ্ধে নামতে চায় ফ্রান্স। ইউরো সঙ্কটে জর্জ‍‌রিত হলেও যুদ্ধে তাদের কোন অনীহা নেই। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চাইছেন এখনই রাষ্ট্রসঙ্ঘ হস্তক্ষেপের অনুমতি দিক। আমেরিকা তো এক ধাপ এগিয়ে বলে দিচ্ছে রাসায়নিক অস্ত্র যে সিরিয়ায় বাহিনী ব্যবহার করেছে তার প্রমাণ তাদের ‍‌গোয়েন্দাদের হাতে আছে। অর্থাৎ বোঝাতে চাইছে আগ্রাসনের আর কোন বাধা নেই। অথচ রাষ্ট্রসঙ্ঘের যে বিশেষজ্ঞ দল সিরিয়ায় গিয়েছে তদন্ত করতে তারা তদন্ত শেষ করার আগেই পশ্চিমী যুদ্ধোন্মাদরা যুদ্ধ শুরুর জন্য মরিয়া চেষ্টা করছে। আমেরিকা ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের নৌবহর ইতোমধ্যেই সিরিয়ার কাছাকাছি ভূমধ্যসাগরে অবস্থান নিয়েছে। নিকটবর্তী দেশের ন্যা‍‌টো ঘাঁটিতে তৈরি হয়ে বসে আছে বিমানবাহিনী। তাদের বিপুল উৎসাহ অস্ত্র প্রয়োগে। অস্ত্রশক্তির জোরেই দুনিয়াকে তারা অবদমিত করতে চায়। প্রতিনিয়ত এরা খুঁজে বেড়ায় অস্ত্র প্রয়োগের অছিলা। আসলে অর্থনীতির স্বাভাবিক পথে বিকাশের ক্ষেত্রে পদে পদে থমকে পড়তে হচ্ছে পশ্চিমী দুনিয়াকে। মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনে এবং সৃষ্টিশীল উপকরণ উৎপাদনে পিছিয়ে পড়ে পশ্চিমী দুনিয়া বেশি বেশি করে অস্ত্র উৎপাদন ও অস্ত্র ব্যবসায় মনোনিবেশ করছে। এক্ষেত্রে এগিয়ে আছে যে তিনটি দেশ তাদের মধ্যেই যুদ্ধে উৎসাহ বেশি। যুদ্ধ হলেই বাড়ে অস্ত্রের চাহিদা। যুদ্ধের উন্মাদনা থাকলেও বাড়ে যুদ্ধের উপকরণের চাহিদা। যত বাড়বে ততই মুনাফা হবে অস্ত্র কোম্পানির। তাই যাদের অর্থনীতিতে অস্ত্র শিল্পের গুরুত্ব বেশি সেইসব দেশ সব সময়ই যুদ্ধের পক্ষে ওকালতি করে এবং যুদ্ধ জিগির ‍‌জিইয়ে রাখে। উপসাগরীয় এলাকায় অশান্তি বজায় রাখা মানে অস্ত্রের বাজার চড়া। সিরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ তৎপরতার মূলে যে অস্ত্র ব্যবসার স্বার্থ আছে তেমনি আধিপত্য কায়েমের লক্ষ্য আছে।

Ganashakti


No comments:

Post a Comment